কীভাবে শুরু হয়েছিল 21 Baje-র যাত্রা
২০১৯ সালের কথা। একদল তরুণ বাংলাদেশি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা লক্ষ্য করলেন যে দেশের খেলাধুলাপ্রেমীরা অনলাইন বেটিংয়ের জন্য বিদেশি প্ল্যাটফর্মে যাচ্ছেন — যেখানে বাংলা ভাষায় সাপোর্ট নেই, দেশীয় পেমেন্ট সিস্টেম নেই, আর ব্যবহারকারীদের সমস্যায় সাহায্য পাওয়া রীতিমতো যুদ্ধ করার মতো। এই সমস্যাটাই 21 Baje-র জন্মের অনুপ্রেরণা।
নামটা এসেছে আমাদের দৈনন্দিন জীবন থেকেই। রাত ৯টা — এই সময়টায় বাংলাদেশের ঘরে ঘরে ক্রিকেট ম্যাচের উত্তেজনা থাকে, বন্ধুরা একসাথে বসে খেলা দেখে, চায়ের কাপে ঝড় ওঠে। আমরা চাইলাম সেই একই আনন্দটাকে অনলাইনে নিয়ে আসতে — নিরাপদে, বাংলায়, নিজের মোবাইল থেকেই।
আমরা কী বিশ্বাস করি
21 Baje-তে আমরা বিশ্বাস করি যে স্পোর্টস বেটিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি সুষ্ঠু মাধ্যম — ভয়ের বিষয় নয়। অনেক বেটিং সাইট আছে যেখানে নিবন্ধন করা সহজ, কিন্তু টাকা তুলতে গেলেই সমস্যা শুরু হয়। আমরা সেই বিপরীত পথে হাঁটি। আমাদের কাছে ব্যবহারকারীর সন্তুষ্টি আর বিশ্বাসযোগ্যতা সবার আগে।
প্রতিটি বেট রাখার আগে, সময়মতো পেমেন্ট পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকাটা একজন বেটরের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয়। 21 Baje সেই নিশ্চয়তাটাই দেয় — Mobile Pay, Nagad ও রকেটে মাত্র কয়েক মিনিটে উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, দিনের যেকোনো সময়ে।
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি
আমাদের প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি ফিচার বাংলাদেশি বেটরদের চাহিদা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। ইন্টারফেস বাংলায়, পেমেন্ট দেশীয় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে, কাস্টমার সাপোর্ট বাংলায়। ক্রিকেট বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে বিপিএল, এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে স্থানীয় লিগ — আমরা বাংলাদেশি দর্শকের পালসটা বুঝি।
21 Baje-র লাইভ বেটিং ফিচার বিশেষভাবে মোবাইলের জন্য অপ্টিমাইজ করা, কারণ আমরা জানি বেশিরভাগ বাংলাদেশি ব্যবহারকারী স্মার্টফোন থেকে সাইটে আসেন। ধীর ইন্টারনেটেও যেন পেজ দ্রুত লোড হয়, সেজন্য আমরা প্রযুক্তিগত উন্নতিতে ক্রমাগত বিনিয়োগ করছি।
প্রতি বছর আমাদের ব্যবহারকারীর সংখ্যা এবং সন্তুষ্টির হার দুটোই বাড়ছে। এটা আমাদের পরিশ্রম আর ব্যবহারকারীদের বিশ্বাসের ফসল। 21 Baje-র পথচলা শুধু একটি ব্যবসার গল্প নয় — এটা বাংলাদেশের খেলাপ্রেমীদের সাথে একটা গভীর সম্পর্কের গল্প।